লাইব্রেরিবিশ্বকোষতামাত্তু হজ্বকে ইফরাদ হজ্বে পরিবর্তন করা
বিশ্বকোষ
তামাত্তু হজ্বকে ইফরাদ হজ্বে পরিবর্তন করা
⏱ 3 মিনিট পড়তে লাগবে
যে ব্যক্তি ওমরাহর ইহরাম বেঁধেছে, সে যদি কোন ওযর বা সমস্যাবশার দেরি করে মক্কায় প্রবেশ করে এমনভাবে যে, যদি ওমরাহ পালন করতে যায়, তাহলে আরাফাতে অবস্থানে সময় চলে যাবে, কিম্বা চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে, তাহলে সেক্ষেত্রে তার হজ্বকে ইফরাদ হজ্বে পরিবর্তন করতে হবে এবং তার পালন করার পর মুফরাদা ওমরাহও পালন করবে। এভাবে তার হজ্ব সঠিক হবে এবং ইসলামের ওয়াজিব হজ্ব হিসাবে তা যথেষ্ট হবে। ৭৩৯.
যদি কোন মহিলা ইহরাম বাঁধে এবং যখন মক্কায় প্রবেশ করে, কিন্তু মাসিক কিম্বা প্রসবাস্তিক স্রাবের কারণে তাওয়াফ সম্পন্ন করতে পারে না। সে যদি পবিত্র হওয়া পর্যন্ত দেরি করতে চাইতো, তাহলে আরাফাতে অবস্থানের সময় পেরিয়ে যাওয়ার ভয় ছিল। সেক্ষেত্রে সে পূর্বোক্ত মাসআলার নির্দেশই মেনে চলবে। ৭৪০. যদি ইহরাম ছাড়াই মক্কায় প্রবেশ করে, আর ইহরাম না বাঁধার পেছনে কারণ থাকে এবং সময়ও সংকীর্ণ থাকে, তাহলে মক্কায় ইফরাদ হজ্বের ইহরাম বাঁধতে হবে এবং পূর্বোক্ত নির্দেশ মেনে চলবে। ৭৪১.
যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং কোন কারণ ছাড়াই ইহরাম না বেঁধে থাকে এবং তার ওমরাহকে বিনষ্ট করে থাকে এবং তামাতু ওমরাহর জন্য সময় সংকীর্ণ হয়ে পড়ে তাহলে সতর্কতামূলক ওয়াজিব হলো ইফরাদ হজ্ব পালন করবে। অতঃপর মুফরাদা ওমরাহও সম্পন্ন করবে। আর পরবর্তী বছরেও হজু পুনরায় আদায় করবে। ৭৪২. পূর্ববর্তী মাসআলাগুলো সময়ের সংকীর্ণতা বলতে বুঝানো হয়েছে যে, আরাফাতে ক্ষমতা ও সুযোগ থাকা অবস্থায় অবস্থান করার সময়সীমার মধ্যে না পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকা। এর সময়সীমা হলো ৯ই জিলহজ্ব তারিখের যোহর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৭৪৩, যে ব্যক্তি মুস্তাহাব হজ্ব পালন করে এবং মক্কায় প্রবেশ করার পরে দেখতে পায় যে সময় সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে, সে তার হজ্বকে ইফরাদ হজ্বে পরিবর্তন করবে এবং ইফরাদ হজ্বই পালন করবে। তার ওপর মুফরাদা ওমরাহ্ বাতিল নয়। ৭৪৪. যে ব্যক্তি ওয়াজিব হজ্বের তামান্ডু ওমরাহর ইহ্রাম বাঁধে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করে যার ফলে সময় সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। সে ব্যক্তি ৭৪১ নং মাসআলায় বর্ণিত নির্দেশ অনুযায়ী আমল করবে। ৭৪৫.
যে ব্যক্তির কর্তব্য হলো তামাত্তু হজ্ব পালন করা সে ইহরাম বাঁধার সময় যদি জানতে পারে যে, তামাত্তু ওমরাহ পালন করতে গেলে আরাফাতে অবস্থান করার আমলে ও পৌঁছতে পারবে না। সেক্ষেত্রে সে প্রথম থেকেই ইফরাদ হজ্বের ইহরাম বেঁধে নিতে পারবে এবং ইফরাদ হজ্ব পালন করবে। এরপর মুফরাদা ওমরাহ্ও পালন করবে এবং তার আমল সঠিক হবে।
(সূত্র:হজ্ব নির্দেশিকা, সংকলনেঃ মোহাম্মদ হুসেইন ফাল্লাহযাদেহ) শেয়ার 0 FacebookTwitterWhatsappTelegramLINESkypeViberEmail আগের পোস্ট ইমাম সাদিক (আ.)’র অলৌকিক ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে সুন্নি মনীষীদের উক্তি পরের পোস্ট ইমাম হোসাইন (আ.)-এর আচরণ ও শিষ্টাচার সম্পর্কযুক্ত পোস্ট হজ্ব March 21, 2024 হজ্ব March 20, 2024 হজ্ব March 17, 2024 হজ্ব March 13, 2024 হজ্ব March 12, 2024 বিবিধ মাসায়েল সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর ও ফতোয়া March 4, 2024
সম্পর্কিত নিবন্ধ
📖
বিশ্বকোষSunan an-Nasa'i 311 - The Book of Purification - كتاب الطهارة - Sunnah.com
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষসূরা সাফফের তাফসীর
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষপর্দা বিষয়ক মাসলা
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষইমাম সাজ্জাদ (আ.)এর দোয়া ও অন্তর্দৃষ্টি বৃদ্ধির মাধ্যমে আশুরার আন্দোলনের জীবিত রক্ষাকারী
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষতোমার জিহ্বাকে এভাবে প্রশিক্ষিত করো
⏱ 3 মিনিট