লাইব্রেরিবিশ্বকোষহজরত হুরের কবর কারবালা থেকে দূরে দাফন করার কারণ
বিশ্বকোষ
হজরত হুরের কবর কারবালা থেকে দূরে দাফন করার কারণ
⏱ 3 মিনিট পড়তে লাগবে
543 কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার পরে যখন উমর বিন সাআদ তার সৈন্যদেরকে নিয়ে কারবালার বাহিরে চলে যায়, তখন বণি আসাদ গোত্রের লোকজন যারা ঐ এলাকার কাছেই বসবাস করতো তারা কারবালাতে আসে এবং হুসাইনি শহিদদের লাশকে দাফন করে দেয়। বর্তমানে যেখানে ইমাম হুসাইন (আ.)এর কবর রয়েছে সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়েছিল, তাঁর পায়ের অংশে হজরত আলি আকবর (আ.)কে দাফন করা হয়েছিল এবং তাঁর সাহাবিদের লাশকে পাশেই একটি বড় কবর খুঁড়ে সেখানেই সকলকে দাফন করা হয়েছিল। হজরত আব্বাস (আ.) যেখানে শাহাদত বরণ করেন সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়।
হাবিব ইবনে মাযাহির (রা.)কে ইমাম হুসাইন (আ.)এর কবরের বাহিরে মাথার অংশে দাফন করা হয়। হাবিব ইবনে মাযাহিরকে অন্যান্য শহিদদের সাথে কবর না দেয়ার কারণ হচ্ছে তারা হাবিব ইবনে মাযাহির (রা.)কে অভাবনিয় সম্মান করতো এবং হজরত হাবিব ইবনে মাযাহির (রা.) ছিলেন বণি আসাদ গোত্রের লোক। বণি তামিম গোত্রের লোকজন বর্তমানে যেখানে হজরত হুরের কবর রয়েছে সেখানেই তাঁকে দাফন করে দেয়। তাকেও অন্যান্য শহিদদের সাথে দাফন করা হয়নি। কারণ বণি তামিম গোত্রের লোকজন হুর ইবনে ইয়াযিদ রিয়াহিকে যথেষ্ট সম্মান করতো।
আর এ কারণেই তারা হুরের শরির থেকে মাথা কাটার সুযোগ দেয়নি এবং তাঁকে কারবালার উত্তর পশ্চিমে ৭ কিঃমিঃ দূরে এক গ্রামে দাফন করে দেয়। কারবালাতে এ দুই শহিদদের (হাবিব ইবনে মাযাহির এবং হুর) কবরকে আলাদা করে দাফন করা হয়। (আল মাজালেসুস সানিয়া, পৃষ্ঠা ১১৯) অনেকেই মনে করেন যে, ইমাম হুসাইন (আ.)এর কবর থেকে হুরের কবর দূরে হওয়ার কারণ হচ্ছে হজরত হুর ইমাম হুসাইন (আ.) এর কাছে এক বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছিল।
আর তাই হয়তো আল্লাহ তায়ালা চেয়েছিলেন তার কবরস্থান একটি যিয়ারতের স্থানে রূপ লাভ করে এবং ওলিগণ যেন সেখান থেকেও আল্লাহর মারেফেত অর্জন করতে পারে। কেননা হজরত হুর অন্যান্য শহিদদের তুলনায় ইমাম হুসাইন (আ.)এর কাছে এক বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছিলেন। হজরত হুর ছিলেন এক হাজার সেনাবাহিনির সেনাপতি। যারা ইমাম হুসাইন (আ.)এর সাথে যুদ্ধ করার জন্য এসেছিল। (তারিখে তাবারি, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩০২) হজরত হুর এত বড় সেনাবাহিনি সেনাপ্রধান হওয়ার পরেও অবশেষে ইমাম হুসাইন (আ.)এর আহবানে সাড়া দেন এবং শাহাদত বরণ করেন।
আর হয়তো এ কারণেই তাঁকে আলাদা স্থানে দাফন করা হয়। (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৪৫, পৃষ্ঠা ১০, ১৪) শেয়ার 0 FacebookTwitterWhatsappTelegramLINESkypeViberEmail আগের পোস্ট দুঃখ-কষ্ট মোকাবেলার উপায় পরের পোস্ট মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দন কি জায়েজ? সম্পর্কযুক্ত পোস্ট সবর: মুমিনের শক্তি, সফলতার চাবিকাঠি July 12, 2026 কারবালা ইতিহাস: সত্য-মিথ্যার বিভেদ প্রাচীর June 17, 2026 জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আলোকবর্তিকা: ইমাম মুহাম্মদ আল-বাকির (আ.)-এর...
May 21, 2026 পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্য: জান্নাত লাভের সহজ পথ April 1, 2026 শবে কদরের ফজিলত, মর্যাদা ও প্রাসঙ্গিক কথা March 7, 2026 ইমাম হাসান মুজতাবা (আ.)-এর অমিয় বাণী March 5, 2026
সম্পর্কিত নিবন্ধ
📖
বিশ্বকোষSunan an-Nasa'i 311 - The Book of Purification - كتاب الطهارة - Sunnah.com
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষসূরা সাফফের তাফসীর
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষপর্দা বিষয়ক মাসলা
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষইমাম সাজ্জাদ (আ.)এর দোয়া ও অন্তর্দৃষ্টি বৃদ্ধির মাধ্যমে আশুরার আন্দোলনের জীবিত রক্ষাকারী
⏱ 3 মিনিট
📖
বিশ্বকোষতোমার জিহ্বাকে এভাবে প্রশিক্ষিত করো
⏱ 3 মিনিট